MT-PROJECTS

প্রকল্প/উদ্ভাবনের নামঃ “সেভ দ্যা লাইফ” “SAVE THE LIFE “

১। প্রতিযোগীদের নাম, টেকনোলজী, সেমিষ্টার:

ক) মোঃ মনিরুল ইসলাম, মেকানিক্যাল, ৭ম পর্ব।

খ) জাহানারা  সরকার আয়েশা, মেকানিক্যাল, ৭ম পর্ব।

গ) মোঃ সাজ্জাদ মাহমুদ, মেকানিক্যাল, ৭ম পর্ব।

গাইড শক্ষিক: মোঃ নাজমুল হক বখতয়িার, ইন্সট্রাক্টর (মকোনক্যিাল)

 

২। উদ্ভাবনের বিষয়বস্তু ও কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ ঃ

নদী মাতৃক  আমাদের এই বাংলাদেশে সহজে এবং স্বল্প ব্যয়ে যোগাযোগ সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হল নৌপথ। তাই ভ্রমন পিপাসূ এবং বিশেষ করে দক্ষিন অঞ্চলের মানুষের জন্য নদীপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু নৌপথে ঝুকিও কম নয়। প্রতি বছর নৌ দূর্ঘটনার কারণে ব্যাপক জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।

বাংলাদেশ একটি জন বহুল দেশ, কিন্তু সেই তুলনায় যানবাহনের প্রচুর অভাব রয়েছে। নৌ মালিক ও কর্মচারীগণ অতিরিক্ত লাভের আশায় ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারণে মোট নৌ দূর্ঘটনার ২৪.৭% নৌ দূর্ঘটনায় সংঘটিত হয়। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, ১৯৬৭-২০১৬ পর্যন্ত দূর্ঘটনা ঘটেছিল ২৬৭২টি। মৃত্যু হয়েছিল ২০৫০৮ জন। সম্পদের ক্ষতি ৩ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। সূত্র ঃ(বিবিসি বাংলা)।

এই প্রকল্পে নৌযান স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে সবুজ সিগন্যাল দিবে। স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন করলে হলুদ সিগন্যাল দিবে। এরপরও  যাত্রী ও মালামাল উঠালে সঙ্গে সঙ্গে লাল সিগন্যাল দিবে ও বাজার বাঁজবে, পাশাপাশি মেরিন ইঞ্জিনটি বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে এস এমএস এর মাধ্যমে বিষয়টি জানানো যাবে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করা হলে দূর্ঘটনা বহুলাংশে  কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এর সাহায্যে নৌযানের স্বাভাবিক অবস্থা অথবা ডুবে গেলে তার অবস্থান নির্ণয় করা যাবে ও নৌ চলাচল পথের গভীরতা নির্ণয় করা সম্ভব হবে এবং  এসএমএস  সিগন্যালের মাধ্যমে অবস্থানগত তথ্য পাওয়া যাবে।

৩। উদ্দেশ্য ও ব্যবহার ঃ

১। অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের কারনে যে নৌ- দূর্ঘটনা ঘটে তা প্রতিরোধ করা এবং জনগনকে সচেতন করা।

২। আমাদের দেশের প্রতিটি নৌযানের এর ব্যবহার নিশ্চিত করা।

 

৪। সুবিধা  বা উপকার ঃ

১। নৌ যানের ভ্রমনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

২। নৌ কর্তৃপক্ষ অসাধু লঞ্চ মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।

৩। অতি সহজে লঞ্চের ড্রাফট ডিসট্যান্স নির্নয় করা।

৪। লঞ্চের স্টাবিলিটি নির্নয় করতে পারবে।

৫। এসএমএস এর মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের কাছে লঞ্চের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য প্রেরন করবে।

৫। ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি/উপকরণ ঃ

  1. Arduino UNO.
  2. Sonic Sensor
  3. Motor Controller
  4. GSM Module
  5. Buzzer
  6. LED Bulb
  7. Cork Sheet
  8. Ply Wood Sheet
  9. Solenoid Bulb

৬। প্রয়োজনীয়  সময় ও অর্থ ঃ

এই প্রকল্প তৈরী করতে তিন মাস সময় লেগেছে এবং ২০০০ টাকা লেগেছে।

৭। বাণিজ্যিকীকরণের উপযোগিতা ঃ

            ১। নৌ দূর্ঘটনা  হ্রাস পাবে।      

            ২।  জীবন ও সম্পদ বাচানো সম্ভব হবে।